বিশেষ প্রতিবেদন ৮ ই ডিসেম্বর শিলচর — ১৯৭১ ইংরেজির রাজ্য পূনর্গঠন আইনের আওতায় উত্তর পূর্বাঞ্চলের যে সাতটি রাজ্য পূনর্গঠন করা হয়েছিল সেই কংগ্রেস আমলে আজ সেই আইনের আওতায় উত্তর পূর্বাঞ্চলের পাঁচ রাজ্যে শুরু হয়েছে অ উপজাতিদের বিতারন। এটা যে হবে ভবিষ্যতে তখনকার সময়ের নেতারা তা বেমালুম চেপে গেছেন। ধীরে ধীরে ইনার লাইন পারমিট শুরু হলো এই সব রাজ্যে, সেখানে অস্থায়ী ভাবে ব্যবসা বাণিজ্য করার সুবিধা ছিলো, কোনো ভাবেই জমি বাড়ি দখল বা গৃহ নির্মান করার কোনো অনুমতি ছিলো না, ছিলোনা ভোটার অধিকার সহ অন্যান্য সাংবিধানিক অধিকার। অ উপজাতি বলে কথা,লোভ সামলানো মুস্কিল তাই তারা ব্যবসা করার মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে সেই সব রাজ্যে সাময়িক স্থায়ী ভাবে বসবাস শুরু করেন। একবার ও ভাবেন নি এইসব পার্বত্য রাজ্যে আমাদের অবস্থান কচু পাতার উপর পাণির মতো,কোন সময় ফুচকে যেতে পারে। নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে তাকিয়ে দেখলে পরিলক্ষিত হয় মাড়োয়ারি ও মুসলমান সম্প্রদায়ের মানুষ এই সব পার্বত্য রাজ্যে ব্যবসা করছেন দুই তিন দশক ধরে। চতুর ব্যবসায়ী মাড়োয়ারি গণ ঐ সব রাজ্যে স্থায়ী ভাবে কোন জায়গা জমি ক্রয় বা উপাসনালয় তৈরী করেনি। এদিকে বাঙালি দের বিশ্ব জয়ের ইচ্ছা সব সময় মনে থাকে। তাই বাঙালি ব্যবসায়ী ও দিন মজুরের কাজ করা বিশেষ করে মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ পার্বত্য রাজ্যের নিয়ম নীতির পরোয়া না করে উপাসনালয় তৈরী করে ,একাংশ মানুষ ঐ উপজাতি সম্প্রদায়ের মহিলার সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন করে, ধীরে ধীরে একাংশের মতানুসারে ধর্মান্তরকরণের পথে এগিয়ে যায়,আর এটা নিত্য সত্য বললে ভুল হবে না। ঐ সব রাজ্যের গড়ে উঠেছে বড় বড় মসজিদ,এভাবেই বিগত দুই দশক ধরে এই সব পার্বত্য রাজ্যে শুরু হয়েছে এই ধরণের সংস্কৃতি।রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যে অনুপ্রবেশ কারি বিরুদ্ধে ঐ সব রাজ্যের উপজাতি সংগঠনের সদস্যরা সরব হতে দেখা যায়।
সম্প্রতি নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হচ্ছে অরুণাচল প্রদেশের মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষ কে তাড়ানোর জন্য উপজাতি সংগঠনের সদস্যরা সক্রিয় ভাবে মাঠে নেমেছে, তাদের বক্তব্য অরুণাচল প্রদেশের জনসংখ্যার ভারসাম্য হারিয়ে যাচ্ছে, ধর্মান্তরকরণের ফলে গোটা রাজ্যে একদিন উপজাতি সম্প্রদায় সংখ্যালঘুতে পরিণত হবে। এক কথায় বর্তমান অরুণাচল প্রদেশের পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার ও বেকফুটে চলে যাবে এমনটাই ভাবছেন বিশিষ্ট সমাজসেবী তথা রাজনৈতিক বিশ্লেষক গণ। তারা আরও বলছেন বর্তমান উদ্ভব পরিস্থিতি রাজ্য পূনর্গঠন আইনের ফল। এদিকে অরুণাচল প্রদেশের পরিস্থিতি দেখে মেঘালয় রাজ্যের উপজাতি সংগঠনের মধ্যে অ উপজাতিদের বিতারন নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে প্রাথমিক ভাবে এই তথ্য পাওয়া গেছে। সুত্রে জানা গেছে সম্প্রতি মেঘালয় রাজ্যের দু একটি স্থানে অ উপজাতিদের বিতারন শুরু হয়েছিলো। এসব ঘটনাবলী একদিন উত্তর পূর্বাঞ্চলে আরেকটি কাশ্মীরের জন্ম দিবে এমনটাই ভাবছেন বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধি দল।