বিশেষ রাজনৈতিক প্রতিবেদন ৬, ডিসেম্বর শিলচর —— ২৬ এর বিধান সভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট এখনও সরকারি ভাবে প্রকাশিত না হলেও দলীয় ভাবে প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের টিকিট প্রত্যাশীদের দৌড়ঝাঁপ বড়খলা বিধান সভা সমষ্টিতে শুরু হয়েছে। একদা এই সমষ্টি সংখ্যালঘু সমষ্টি হিসেবে পরিচিত ছিলো, সেই সুবাদে এই বড়খলা বিধান সভা সমষ্টিতে বিধায়ক হিসেবে এক নাগাড়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বিধায়ক নির্বাচিত হতেন,এযাবৎ পর্যন্ত যে সব বিধায়ক বড়খলা সমষ্টিতে নির্বাচিত হয়ে আসাম মন্ত্রী সভায় স্থান করেছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম ডাঃ লুৎফর রহমান,গোলাম ওসমানী, আলতাফ হোসেন মজুমদার,মিসবাহুল ইসলাম লস্কর, এবং বিধায়ক হিসেবে ডাঃ আব্দুল মতিন লস্কর এই সমষ্টি থেকে বিধায়ক ও হয়ে কর্তব্য নির্বাহ করেন।
তাহলে এটা যে সংখ্যালঘু আসন হিসেবে বিবেচিত হতো তার প্রমাণ উপরোক্ত বিধায়ক বৃন্দের নাম। কিন্তু সেই সংখ্যালঘু আসনের তকমা বিলীন হয়ে গেছে বিগত সমষ্টি নির্ধারণে। এখন পর্যন্ত এক সুত্রে জানা সমষ্টি নির্ধারণের ফলে বড়খলা বিধান সভার মোট ভোটার সংখ্যার মধ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটারের সংখ্যা ১ লাখ ৩৭ হাজার বিপরীতে মুসলিম সম্প্রদায়ের ভোটারের সংখ্যা ৭৯ হাজার, এই সংখ্যা তত্বের বিচারে এখানে আর সংখ্যালঘু আসন বলে কিছু নেই। এমতাবস্থায় এখন পর্যন্ত বর্তমান বিধায়ক মিসবাহুল ইসলাম লস্কর, এই আসনে টিকিট প্রত্যাশী, এছাড়া কংগ্রেস দলের টিকিট প্রত্যাশী হিসেবে ডাঃ অমিত কালোয়ার, স্থানীয় প্রার্থী হিসেবে জহুরুল ইসলাম বড় ভূঁইয়া ও হেলিম উদ্দিন বড় ভূঁইয়া প্রত্যক্ষ ভাবে জনসংযোগ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। এদিকে বর্তমান বিধায়ক মিসবাহুল ইসলাম লস্কর ও হাল ছাড়েননি তিনি ও অতি সন্তর্পনে প্রচার শুরু করেছেন।এই প্রতিবেদক আজ বড়খলা সমষ্টিতে সংবাদ সংগ্রহের জন্য উপস্থিত হলে স্থানীয় বিশিষ্ট জনের মধ্যে বিশিষ্ট সমাজসেবী তথা প্রাক্তন গাঁও পঞ্চায়েত সভাপতি সাজ্জাদ আহমেদ লস্কর, রিঙ্কু দেব, বিকাশ সাউ,ফকর উদ্দিন লস্কর প্রমুখ দের সাথে কংগ্রেস দলের টিকিট প্রত্যাশীদের বিষয়ে আলোচনা হয়। এদিকে নিরপেক্ষ কিছু সচেতন নাগরিক গণ বলছেন ভোটার পরিসংখ্যান অনুযায়ী এখানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রার্থী যদি দল মনোনীত করে তাহলে কংগ্রেস দলের লাভ হবে বলে মনে হয় না। পরিশেষে বর্তমান বিধায়ক মিসবাহুল ইসলাম লস্কর কে নিয়ে ও জোরদার আলোচনা শুরু হয়েছে । অনেকেই তাকে আবার ও বিধায়ক হিসেবে দেখতে চান । এদিকে একাংশ মানুষের দাবি খোদ বড়খলার স্থানীয় প্রার্থী হিসেবে জহুরুল ইসলাম বড় ভূঁইয়া বা হেলিম উদ্দিন বড় ভূঁইয়া কে দল টিকিট প্রদান করুক। মোট কথা স্থানীয় এবং বহিরাগত যেমন একদিকে ঠিক অন্যদিকে সংখ্যা গরিষ্ঠ ও সংখ্যা লঘু নিয়ে কংগ্রেস দলকে ভাবতে যে হবে তার আভাস পাওয়া গেছে।