শীৰ্ষ খবৰ
হারাঙ নদীতে বিষ ঢেলে মাছ শিকার, পানীয় জলের হাহাকার আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ
হারাঙ নদীতে বিষ ঢেলে মাছ শিকার

বিশেষ প্রতিবেদন ২রা ডিসেম্বর শিলচর ____ প্রতি বছরের ন্যায় এই মরশুমে যাতে হারাঙ নদীতে বিষ ঢেলে মাছ শিকার না হয় তার জন্য ধলছড়া ও সোনাপুর গাঁও পঞ্চায়েত কমিটি মাস খানেক পূর্বে মাইক যোগে উভয় এলাকার নদীতে বিষ প্রয়োগ না করার জন্য সর্ব সাধারণের কাছে অনুরোধ জানান। কিন্তু এই অনুরোধ কে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে গতকাল পহেলা ডিসেম্বর কে বা কারা হারাঙ নদীতে বিষ প্রয়োগ করে।যার ফলশ্রুতিতে একদিকে অগণিত মাছের প্রাণ ধংস হয় অন্যদিকে নদীর উভয় তীরের সাধারণ মানুষের এক মাত্র পানীয় জলের ভরসা আজ প্রশ্নের সম্মুখীন হয়ে গেছে। কারণ এখন পর্যন্ত যে খবর চাউর হয়েছে লোকমুখে তা নিয়ে সাধারণ মানুষ আতঙ্কে ভূগছেন, যদি সত্যি সত্যি রাসায়নিক বিষ প্রয়োগ করা হয়ে থাকে তাহলে এই জল কতটুকু ক্ষতিকর হবে মানব শরীরে তা অনুমেয়।বছর দুয়েক পূর্বে এই হারাঙ নদীতে বিষ প্রয়োগে জড়িত সন্দেহে বিহাড়া পুলিশ কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করায় গেলো বছর হারাঙ নদীতে বিষ কেউ প্রয়োগ করতে সাহস করেনি।ভাবা গেছিল যে এই অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধ হয়ে গেছে কিন্তু পুণরায় গত পয়েলা ডিসেম্বর কে বা কারা হারাঙ নদীতে বিষ ঢেলে দেয়।
বিশেষজ্ঞ সূত্রে জানা গেছে যদি রাসায়নিক বিষ প্রয়োগ করা হয়ে থাকে তাহলে কয়েক দিন এই জল পান করা থেকে বিরত থাকা উচিত।জল সরবরাহ প্রকল্প যদি সেই জল সরবরাহ করে তা কতটুকু নিরাপদ হবে তা নিয়ে সচেতন মহল চিন্তিত।উভয় পঞ্চায়েত এলাকার সচেতন মহল কাছাড় জেলা প্রশাসক সহ বিহাড়া ও ভাঙ্গার পার পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন।সবার একটাই দাবি উচিত তদন্তে দোষীদের চিহ্নিত করা হোক।




