শীৰ্ষ খবৰ
কালাইন উন্নয়ন খণ্ড এলাকার প্রধানমন্ত্রী আবাস প্রকল্পের হিতাধিকারি গণ জব কার্ডের অর্থ পাননি, অভিযোগ
জব কার্ডের অর্থ হাপিস কালাইন উন্নয়ন খণ্ডে

বিশেষ প্রতিবেদন 30 শে নভেম্বর শিলচর —– বর্তমান সরকারের জন কল্যাণ মুখি প্রকল্পের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী আবাস প্রকল্প অন্যতম।এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রকৃত গৃহহীন মানুষের জন্য সরকার প্রতি বছর অর্থ বরাদ্দ করে থাকেন।কি শহর কি গ্রাম আশ্রয় হীন গৃহহীন মানুষের কল্যাণে বৃহৎ পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ হলে ও প্রকৃত গৃহহীন অসহায় মানুষের ভাগ্যে খুব কম জোটে , প্রতিটি গাঁও পঞ্চায়েত এলাকায় এমনটা অভিযোগ রয়েছে। প্রতি বছরের গাঁও সভায় যে সব মানুষের নাম খাতায় লেখা হয় তাদের মধ্যে 10 শতাংশ প্রকৃত গৃহহীন মানুষের নাম রেখে নব্বই শতাংশ হিতাধিকারির নাম ঘূরপথে চুড়ান্ত তালিকা তে ঠাঁই পেয়ে যায় অবশ্য এই ধারা দুই দশক ধরে বরাক উপত্যকার প্রতিটি গাঁও পঞ্চায়েত এলাকায় চলে আসছে।দেখা গেছে এক একটি পরিবারের সবার নামে প্রধানমন্ত্রী আবাস প্রকল্পের গৃহ নির্মাণ হয়েছে। সবাই কিন্তু সক্ষম, তাদের যদি জব কার্ডের অর্থ প্রদান না করা হয় তাদের কিছু যায় আসেনা, কিন্তু প্রকৃত হিতাধিকারি যারা আছেন তাদের কাছে জব কার্ডের বরাদ্দ অর্থ একান্ত প্রয়োজন। কিন্তু তাদের কে বঞ্চিত করা হচ্ছে। জি আর এস গণ তাদের কে আশ্বাস দেন টাকা ফান্ডে আসলেই জব কার্ডের অর্থ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হবে। কিন্তু সেটা আর হয় না।
এই প্রতিবেদককে কালাইন উন্নয়ন খণ্ডের অন্তর্গত গড়ের ভিতর গাঁও পঞ্চায়েত এলাকার বিহাড়া বাজার অঞ্চলের এক অসহায় বিধবা মিনতি ব্রহ্ম চারি বলেন তার নামে 2022-23 বর্ষে প্রধানমন্ত্রী আবাস গৃহ মঞ্জুর হয়ে ছিলো, অনেক কাঠ খড় পুড়ে অবশ্য তিনটি কিস্তির অর্থ তার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হয়, সেই অর্থে গৃহ নির্মাণের কাজ ছয় মাস পূর্বে সম্পন্ন হয়েছে, কিন্তু তার নামের বরাদ্দ কৃত জব কার্ডের অর্থ আজ পর্যন্ত তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ে নি,এই প্রতিবেদক হিতাধিকারির ব্যাঙ্ক পাশবুক দেখে তার সত্যতা যাচাই করেন। এদিকে ধলছড়া গাঁও পঞ্চায়েত এলাকার গড়া গ্রামের জনৈক সুঙগূল আলী ও ফাতির আলীর জব কার্ডের অর্থ ও তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ে নি। এভাবেই হাজার হাজার গরীব হিতাধিকারির অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে জি আর এস গণ সহ অন্যান্য কর্মচারী গণ । এক বিশেষ সুত্রে জানা গেছে হিতাধিকারির নামে বরাদ্দকৃত অর্থ উন্নয়ন খণ্ডের একাংশ কর্মীর মদতে তাদের বিশ্বস্ত ব্যক্তির একাউন্টে ট্রান্সফার করে দিয়ে সেই অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। এখানে প্রশ্ন উঠা স্বাভাবিক হিতাধিকারির নামে বরাদ্দকৃত অর্থের তিন টি কিস্তি যদি হিতাধিকারির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ে তাহলে জব কার্ডের অর্থ সেটা ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ার কথা কিন্তু বাস্তবে হচ্ছে না । এই ব্যাপারে কালাইন উন্নয়ন খণ্ডের আধিকারিক মহোদয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বঞ্চিত হিতাধিকারি গণ।




