রণ ডঙ্কা বাজার আগেই রণ ভঙ্গ দেওয়ার দৃশ্য পরিলক্ষিত হলো কাঠি গড়ায় – প্রতি দিন চলছে নাগাড় জনসংযোগ কমলা ক্ষ্য দে পুরকায়স্থের
কমলাক্ষ্য দে পুরকায়স্থের জনসংযোগ

নিজস্ব প্রতিনিধি কাঠিগড়া ১১ ই ডিসেম্বর শিলচর — বিধান সভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট সরকারি ভাবে ঘোষণা না হলেও প্রতিটি রাজনৈতিক দলের তৎপরতা কাঠিগড়া বিধান সভা সমষ্টিতে জোরদার হতে চলেছে। কংগ্রেস বিজেপি ও সহ তৃণমূল দলের টিকিট প্রত্যাশীদের দৌড়ঝাঁপ ক্রমশঃ বৃদ্ধি পাচ্ছে। কাঠিগড়া বিধানসভা সমষ্টিতে বিগত বছর তিনেক ধরে বিজেপি দলের হয়ে লড়তে উত্তর করিমগঞ্জ বিধান সভা সমষ্টির বিধায়ক কমলাক্ষ্য দে পুরকায়স্থ স্থায়ী ঠিকানা বানিয়ে গোটা বিধানসভা সমষ্টিতে চষে বেড়াতে দেখা গেছে। যদিও কাঠি গড়ায় একজন নির্বাচিত বিধায়ক রয়েছেন যার দায়িত্ব ও কর্তব্য ছিলো এই এলাকার সর্বাঙ্গীন উন্নয়ন করা কিন্তু তিনি টুটো জগন্নাথ সমষ্টির উন্নয়নের ব্যাপারে তিনি ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন, যখন সাধারণ মানুষের নুন্যতম উন্নয়ন হচ্ছে ঠিক তখনই বিজেপি দলের টিকিট প্রত্যাশী হিসেবে কমলাক্ষ্য দে পুরকায়স্থ সাধারণ মানুষের কাছে পৌছে গেছেন উন্নয়নের ঢালি নিয়ে, বিগত তিন বছরে কমলাক্ষ্য দে পুরকায়স্থ কাঠিগড়ার বিধায়ক না হয়ে ও গোটা বিধানসভা সমষ্টির আনাচে কানাচে আমজনতার কাছে পৌঁছে দীর্ঘ দিনের ছোট থেকে বড় কাজ করে সাধারণ মানুষের মনে ঠাঁই করে নিয়েছেন এমটাই এই প্রতিবেদকের কাছে মতামত ব্যক্ত করেছেন নিরপেক্ষ সচেতন মহল।
তাঁর এই সব উন্নয়নের নমুনা দেখে কাঠিগড়ার বিজেপি সংগঠনের একাংশ নেতার হজম হচ্ছে না যে তার বাস্তব দৃশ্য সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে দিনের আলোতে পরিলক্ষিত হলো। গত সোমবার কালাইনে অনুষ্ঠিত প্রধানমন্ত্রী আবাস প্রকল্পের মঞ্জুরি পত্র প্রদান অনুষ্ঠানে কাঠিগড়া বিধানসভা সমষ্টির চারটি মণ্ডল কমিটির সভাপতি দের মধ্যে তিন জন সভাপতির অনুপস্থিতি সহ জনা কয়েক কর্মীর অনুপস্থিতি জানান দিয়েছে যে তারা নিজেদের সিদ্ধান্ত অনঢ় স্থায়ী টিকিট প্রত্যাশী হিসেবে। পূর্বে দেখা গেছে কংগ্রেসের দলের মধ্যে এই ধরনের খোয়াখোয়ি, কিন্তু এখন এই প্রবণতা এক সুশৃঙ্খল ও নীতি পরায়ন দলে ও সংক্রমিত হয়ে গেছে। বিগত বিধান সভা নির্বাচনে ও দেখা গেছে বিজেপি দলের প্রার্থী অন্তর্ঘাতের শিকার হয়ে পরাজয় বরন করেছিলেন। বিগত পাঁচ বছরের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা মাথায় রেখে সাধারণ ভোটার এবার একদিকে আর স্থানীয় নেতারা আরেক দিকে এমনটা আভাস গত দিনের সভার পর চায়ের টেবিলে স্থান পাচ্ছে। গত সোমবার দিনের সভার দৃশ্য দেখে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন এভাবে খেয়াখেয়ি যদি এখন ই শুরু হয় তাহলে বিগত নির্বাচনে গৌতম রায়ের মতো চিত্র নাট্যের আরেক রূপ দেখার সুযোগ পাবেন কাঠিগড়া বাসি, কিন্তু এবার আমজনতার দৃষ্টি ভঙ্গির পরিবর্তন যে হবে তা হাওর অঞ্চলের মানুষের কথা থেকে বুঝা যাচ্ছে । অন্য এক সুত্রে জানা গেছে,এভাবে খেয়াখেয়ি হলে কংগ্রেস দলের আখেরে যে লাভ হবে তা নিশ্চিত ।।




